বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন পিআর পদ্ধতির নির্বাচন নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলছেন, এই বিষয়ে দলগুলোর অবস্থান দেখে পুরো অঙ্গনে যেন তালি বাজছে। একদিকে জামায়াত প্রস্তুতি নিচ্ছে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের জন্য। কিন্তু তাদেরই এক নেতা চাইছেন পিআর সিস্টেম। চরমোনাই পীরও অনেক দিন ধরে এই পদ্ধতির পক্ষে।
অন্যদিকে বিএনপি বলছে, তারা কোনোভাবেই পিআরে যাবে না। এমনকি মরে গেলেও না। এই ভিন্নতা দেখে রনি মনে করেন, রাজনৈতিক ময়দানে একটা হাসির খেলা চলছে। আওয়ামী লীগ এসব দেখে মুচকি হাসছে। শেখ হাসিনার সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসও খুশি। তিনি চুপচাপ আছেন, কোনো প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন না। কিন্তু মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দেখা করে যে হাসি দিয়েছেন, তা ছিল নির্মল আর আন্তরিক।
আরো পড়ুন:
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে পাঠানোর আদেশ
রনির কথায়, মনে যদি ভয় থাকে, তাহলে এমন হাসি আসে না। বিএনপি এখন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তারা একটা রোগে পড়েছে, যাকে বলে হ্যালুসিনেশন। এতে শত্রুকে বন্ধু আর বন্ধুকে শত্রু মনে হয়। এরশাদ আর শেখ হাসিনাও এতে ভুগেছিলেন। বিএনপিকে এখনই সতর্ক হতে হবে। এই বিশ্লেষণ শুনে অনেকে ভাবছেন, রাজনীতির এই টানাপোড়েন কোথায় যাবে।
পিআর সিস্টেম নিয়ে এই বিতর্ক দেশের নির্বাচনী ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। দলগুলোর এই অবস্থান দেখে জনগণও চিন্তায় পড়েছে। কিন্তু রনির মতো বিশ্লেষকরা এতে একটা সতর্কবার্তা দেখছেন। রাজনীতি যেন একটা মানবিক খেলা, যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার সময়মতো।